Gulliver's travels Bangla summary in 200 words
Gulliver's Travels is a satirical work of Jonathan Swift. It is divided into four parts. It is known as the best work of the author.
Gulliver's Vovage to Lilliput
Gulliver's Travels এ মূলত লেমুয়েল গালিভারের বিভিন্ন দ্বীপে ভ্রমনের ঘটনা নিয়ে রচিত হয়েছে। লেমুয়েল গালিভারের ছোট থেকেই স্বপ্ন ছিল সে সমুদ্রযাত্রা করবে কিন্তু তার পরিবারের জন্য সেই স্বপ্ন স্বপ্নই থেকে গেলো। সে একজন ভালো চিকিৎসক হিসাবে সুপরিচিত লাভ করে।
একদিন হঠাৎ করেই তার সামনে নিজের মনের মধ্যে লুকিয়ে থাকা সেই স্বপ্ন পূরণের সুযোগ আসে। সে অ্যান্টিলোপ নামক জাহাজের ডাক্তার হিসাবে সমুদ্রে যাত্রা করার সুযোগ পায়। ১৬৯৯ সালের মে মাসে গালিভার দক্ষিণ সাগরের উদ্দেশ্যে করার সুযোগ ব্রিস্টল থেকে রওয়ানা দেয়।
প্রথমদিকে তাদের জাহাজ কোন বাধার সম্মুখীন ছাড়ায় সমুদ্রে চলছিল। কিন্তু হঠাৎ করে অস্ট্রেলিয়ার কাছাকাছি গিয়ে তাদের জাহাজটি ঝড়ের কবলে পরে ধ্বংস হয়ে যায়। প্রচন্ড ঝড় ও স্রোতের প্রবাহ গালিভারকে এক অজানা দ্বীপে নিয়ে আসে। সে একদম অজ্ঞান অবস্থায় ছিল তাই কিছুই বলতে পারেনা সে কিভাবে কখন এইখানে এসেছে। প্রায় ৯ ঘন্টা অজ্ঞান থাকার পর গালিভারের জ্ঞান ফিরে কিন্তু সে এতটাই ক্লান্ত ছিলো যে মাথা তুলে উঠতে পারছেনা।
সে অনুভব করলো তার সমস্ত শরীল বাঁধা এমন কি তার চুলও বাঁধা ছিল। আর কেউ বা কারা তার পেটের উপর দিয়ে হাঁটাহাঁটি করছিলো। গালিভার খানিকটা মাথা তুলে দেখে ৬ ইঞ্চির মতো ছোট ছোট মানুষ তার উপর ও চারপাশে। সে তাদের সাথে কথা বলে জানতে পারে গালিভার লিলিপুট নামে দ্বীপে আছে আর যারা ওকে বেধে রেখেছে তারা উক্ত দ্বীপের বাসিন্দা। লিলিপুটিয়ানরা গালিভার কে একজন গুপ্তচর হিসাবে সন্দেহ করে বন্দী করেছে।
তারা ভাবছে তাদের প্রতিবেশী রাষ্ট্র Blefuscu গালিভার কে তাদের ক্ষতি করার জন্য পাঠিয়েছে। তাই লিলিপুটের সৈন্যরা গালিভার কে ১৫০০শ অশ্ব বাহী ওয়াগন দিয়ে তাদের রাজধানী মিল্ডেনডো (Mildendo) নিয়ে যায় রাজার কাছে। গালিভার শহরে পৌঁছালে রাজা তার সাথে কথা বলে জানতে পারে সমুদ্রে গালিভারের জাহাজ ঝড়ের কবলে পরায় সে সমুদ্রের স্রোত ও বায়ুর প্রবাহে তাদের দ্বীপে এসেছে। গালিভার রাজাকে এই বলে আশ্বস্ত করে যে তার দ্বারা লিলিপুট কিংবা এই দেশের লোকজনের কোন প্রকার ক্ষতি হবেনা। রাজা গালিভারকে নিয়ে কোন সিদ্ধান্ত নিতে পারছিল না তাই সে তার উপদেষ্টা Reldresal এর পরামর্শ চাই।
Reldresal বলে গালিভার যেহেতু তাদের অতিথি তাই তার সাথে ভালো আচরণ করা উচিত। তাকে নিজের অনুগত্যতা প্রমাণ করার একটা সুযোগ দেওয়া উচিত। রাজা লেমুয়েল গালিভার কে তার দ্বীপে থাকার অনুমতি দেয় কিন্তু তার পায়ে শিকল বাঁধা থাকবে। রাজার অনুমতি মতে গালিভার কে লিলিপুটের একটা পুরোনো মন্দিরে এক পায়ে শিকল বেঁধে রাখা হয়। গালিভার আস্তে আস্তে লিলিপুটদের ভাষা শিখে নেয়। লিলিপুটের মানুষ তাকে দেখতে মন্দিরের সামনে ভীড় করত। সে তাদেরকে বেশ মজার মজার গল্প বলে আনন্দ দিতো।
লিলিপুটিয়ানরাও গালিভারকে বেশ পছন্দ করতে লাগল। একদিন মেসেঞ্জার খবর নিয়ে আসলো যে তাদের প্রতিবেশী রাষ্ট্র ব্লেফুস্কু তাদের আক্রমণ করতে আসতেছে তাই রাজা গালিভারের সাহায্য কামনা করেছে। গালিভার তখন ব্লেফুস্কুরদের যুদ্ধ জাহাজ গুলো নিয়ে আসে এবং লিলিপুটকে বাঁচায়। এইদিকে একদিন রাজপ্রাসাদে আগুন লাগে যা গালিভার তার মূত্র দিয়ে নিভান এতে রাজা বেশ রাগ করে গালিভারের উপর।
একদিন রাজা গালিভারের কাছে আবদার করে সে যেন ব্লেফুস্কুদের তার দাস বানিয়ে দেয় কিন্তু গালিভার রাজার এমন অন্যায় আবদারে সায় দেয়নি এবং রাজাকে জানায় সে এমন কিছু করতে পারবেনা। এতে রাজা গালিভারের উপর ভীষণ রাগ করে। লিলিপুটে গালিভারের একমাত্র বন্ধু ছিল Reldresal. সে গালিভার কে জানায় রাজা এখন তাকে আর ভালো পায়না গালিভার যেন ব্লেফুস্কদের দ্বীপে চলে যায় সেখানের রাজা খুবই ভালো মনের অধিকারী। গালিভার ব্লেফুস্কুদের দ্বীপে চলে যায় এবং তাদের সহায়তায় একটা নৌকা বানিয়ে নিজ দেশের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন এবং ইংরেজ জাহাজে করে সে ইংল্যান্ডে ফিরে আসে।
Gulliver's Vovage to Brobdingnag
গালিভার তার প্রথম যাত্রা শেষে কিছু সময় নিজের পরিবারের সাথে থাকে কিন্তু কিছুদিন পর ১৭০২ সালের জুন মাসে সে The Adventure নামের জাহাজে করে ইন্ডিয়ার উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেয়। এবার ও তার জাহাজ ভয়ংকর বাতাসের কবলে পড়ে এবং সে বিশাল আকৃতির মানুষদের দেশে নিজেকে আবিষ্কার করে। বিশাল দৈত্য আকৃতির কৃষক যখন মাঠে কাজ করছিলো তখন গালিভারকে পায়।
গালিভার তখন কৃষকের সম্পত্তি হয়ে যায় বিশেষ করে কৃষকের ৯ বছরের মেয়ের খেলার সাথী। কৃষক গালিভার কে প্রদর্শন করে টাকা আয় করতে শুরু করে। এই দিকে গালিভার আস্তে আস্তে অসুস্থ হয়ে যায় এবং তাকে উক্ত দেশের রানীর কাছে বিক্রি করে দেয়। রানীর যত্নে গালিভার সুস্থ হয়ে ওঠেন। রানী ও কৃষকের মেয়ে Glumdalclitch মিলে গালিভারর জন্য কাপড় বানায় ও তার থাকার জন্য ছোট একটি বাক্স সুন্দর করে সাজায়। ব্রোবডিংনাগের রাজা একদিন গালিভার কে তার দেশের কথা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করে।
গালিভারও আনন্দের সহিত নিজ দেশ সম্পর্কে বলে। সাথে সে এটাও বলে তার দেশে শত্রুদের ধ্বংস করতে গান পাউডার ব্যবহার করা হয় যা শুনে রাজা খুবই বিস্মিত হয় এবং তার দেশ নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করে। পরিস্থিতি এমন হয় যে নিজ দেশ সম্পর্কে বলে গালিভার নিজেই ব্রিবত হয়ে পড়ে। এই দ্বীপে ২ বছর কাটানোর পর গালিভার অলৌকিকভাবে একদিন বন্দি দশা হতে মুক্ত হয়। একটি বড় পাখি তার থাকার বক্স টাকে ঠোঁটে নিয়ে সমুদ্রে ফেলে দেয়। কিন্তু ভাগ্যবশত বাক্সটি ইংল্যান্ড গামী এক জাহাজে পাওয়া যায়। সেখান থেকে গালিভার নিজের পরিবারের কাছে ফিরে আসে।
Gulliver's Vovage to Laputa
২য় যাত্রা থেকে ফেরার পর সে আবার The Hopewell নামক জাহাজের সার্জন হিসাবে ইস্ট ইন্ডিজে যাত্রা করার সুযোগ পায়। তার পূর্বের দূর্ভোগ ও স্ত্রীর অনিচ্ছা সত্বেও ১৭০৬ সালে গালিভার সমুদ্রে তার ৩য় যাত্রা শুরু করে। এইবারও গালিভারের যাত্রা শুভ ছিল না এই সময় তার জাহাজ জলদস্যুর কবলে পড়ে।
গালিভার তাদের কাছে নিজের প্রাণ ভিক্ষা চায় ও একটি ছোট পালতোলা নৌকায় করে গালিভার একটা পাথুরে দ্বীপে পৌঁছতে সক্ষম হয়। সে যখন ক্লান্ত অবস্থায় একাকী নির্জন দ্বীপে পড়ে ছিলো তখন সে দুই মাইল উপরে তার ও আকাশের মাঝে একটা ভাসমান কিছু একটা লোকালয়ের মতো দেখল। সে এমন দৃশ্য দেখে খুবই অবাক আসলেই কি এটা একটা আবাসস্থল?
গালিভার জানতে পারে এই উড়ন্ত দ্বীপের মানুষ কিছু টা অস্বাভাবিক টাইপের তারা সব কিছু বৈজ্ঞানিক উপায়ে করতে চাই। তারা বাস্তবতা থেকে দূরে থাকে। তারা অহেতুক অনেক বৈজ্ঞানিক পর্যবেক্ষণ করেন যা মূলত অর্থহীন যেমন তারা বাড়ি ঘর উল্টো বানানোর চেষ্টা করে, মানুষের মল থেকে পুনরায় খাবার বানানোর চেষ্টা, সূর্যের আলো থেকে রশ্নি সংরক্ষণ করার বৃথা চেষ্টা করে।
Grand Academy পরিদর্শনের পর, গালিভার যাদুকরদের দ্বীপ Glubbdubdrib ভ্রমণ করেন। যেখানে তিনি ইতিহাসের কিছু বিখ্যাত ব্যক্তিবর্গের সাথে দেখা করেন কিন্তু তাদের নিয়ে তার যে ধারনা ছিল তাদের সাথে দেখা করার পর তা বদলে যায়। তারপরে গালিভার রাজার সাথে দেখা করতে এবং লুগ্নাগিয়ানে (Luggnagg) অমরদের দেখতে সেখানে গমন করে। তিনি অমরত্ব সম্পর্কে যা দেখেছেন তাতে খুব বেশি মুগ্ধ না হয়ে গালিভার জাপানে চলে যান যেখানে তিনি তিন বছরের ও বেশি সময় ধরে অবস্থান করে পরে ইংল্যান্ড চলে যান।
A Vovage to the Country of the Houyhnhnms
শেষবারের মতো ১৭১০ সালের আগস্টে গালিভার পোর্টসমাউথ (Portsmouth) থেকে দক্ষিণ সাগরের উদ্দেশ্যে Adventure নামক জাহাজের ক্যাপ্টেন হিসাবে যাত্রা করেন। এই সময় জাহাজের নাবিকদের মধ্যে একটা বিদ্রোহ হয় যার ফলে গালিভারকে ৪ মাস একটি কেবিনে বন্দী করে রাখা হয়। তারপর একটি লংবোটে করে গালিভারকে অজানা দ্বীপের উদ্দেশ্যে ভাসিয়ে দেওয়া হয়। দ্বীপে গালিভার স্থানীয় বাসিন্দাদের খোঁজে বের করার চেষ্টা করে কিন্তু সে অর্ধ-মানব বানরের মতো কিছু অদ্ভুত প্রাণী দেখলো যাদের কে তাদের দ্বীপে ইয়াহু (Yahoos) নামে জানা হয়।
গালিভার নিজেকে Houyhnhnms দের দেশে নিজেকে আবিষ্কার করে। Houyhnhnms দেখতে ঘোড়ার মত কিন্তু তারা এই সমাজের পরিচালক তারা খুব বিচার-বিবেকবান। এই সমাজে Houyhnhnms রা হলো ইয়াহু নামক প্রাণীর মালিক যাদেরকে ইয়াহুরা খুব ভয় পায়। গালিভার লক্ষ্য করলো তার নিজ দেশে যেমন কত কূটনীতি, অরাজকতা, অনিয়ম বিদ্যমান তা এই দ্বীপে একদম নেই।
Houyhnhnms দের সাথে গালিভার খুবই খুশিতে থাকতে শুরু করলো। তাদের সাথে গালিভার খুবই বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলে কিন্তু যখন সে জানতে পারে ইয়াহুদের শারীরিক গঠনের সাথে গালিভারের মিল থাকার কারনে Houyhnhnms রা তাকেও ইয়াহুদের মতো ট্রিট করবে নয়লে তাকে তার দেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে। এক কথা শুনে গালিভারের মন খারাপ হয়ে যায় ও সে একটি ক্যানো বানিয়ে উক্ত দ্বীপ ত্যাগ করে চলে যায়।
পরে সে পর্তুগিজ জাহাজের সহায়তায় লিসবনে যায় এবং পরিশেষে নিজ শহর ইংল্যান্ডে ফিরে আসে। ইংল্যান্ডে ফিরে আসার পর সে তার পরিবারের সাথে তেমন মিশতে পারেনা তার ইয়াহুদের কথা স্মরণ হয় এবং তাদের কথা স্মরণ করে গোটা মানবজাতিকে ঘৃণা করে। ঘোড়াদের নিজের প্রকৃত বন্ধু মনে করে বাকিটা জীবন কাটায়।